• ১৬ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Nitish Kumar

দেশ

বিহারে বড় পালাবদল! নীতীশ সরতেই মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট, চমকে দিল রাজনীতি

বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটল। দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর পদ ছাড়লেন নীতীশ কুমার। তাঁর জায়গায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী। পটনার লোক ভবনে আজ সকালে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। বিহারের চব্বিশতম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিলেন তিনি।নীতীশ কুমার দীর্ঘ প্রায় কুড়ি বছর ধরে বিহারের রাজনীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হয়ে ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে জোট সরকার বদলালেও তিনিই ক্ষমতায় ছিলেন। রাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় মুখ্যমন্ত্রী থাকার রেকর্ডও তাঁরই দখলে। তবে এবার তাঁকে সেই পদ ছাড়তে হল। তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করা হয়েছে, আর তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। নিজের শেষ দিনে নতুন সরকারকে সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছেন নীতীশ।সম্রাট চৌধুরীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা, চিরাগ পাসওয়ান এবং জিতন রাম মাঝি সহ একাধিক নেতা।উপমুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার পর এবার মুখ্যমন্ত্রী হলেন সম্রাট চৌধুরী। নতুন মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন জেডি ইউ নেতা বিজয় কুমার চৌধুরী এবং বীজেন্দ্র প্রসাদ যাদব।সম্রাট চৌধুরীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনিই বিহারের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। এনডিএ জোটের নেতারা সর্বসম্মতভাবে তাঁকে এই পদে নির্বাচিত করেছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও তাঁর নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সম্রাট চৌধুরী আগে আরজেডি এবং পরে জেডি ইউ-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রায় বারো বছর ওই দলগুলিতে থাকার পর তিনি দুই হাজার সতেরো সালে বিজেপিতে যোগ দেন। দুই হাজার চব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয়।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ছেন নীতীশ! রাজ্যসভায় যাচ্ছেন জেডিইউ সুপ্রিমো, বিহারে আসছে বড় বদল

বিহারের রাজনীতিতে বড় চমক। মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন নীতীশ কুমার। যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানান, সংসদের দুই কক্ষের সদস্য হওয়া তাঁর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা। সেই ইচ্ছা পূরণ করতেই এবার রাজ্যসভা নির্বাচনে লড়তে চান।সম্প্রতি নির্বাচিত হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই এই সিদ্ধান্তে বিহারের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই নীতীশের এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।নিজের বার্তায় তিনি লেখেন, প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিহারের মানুষ তাঁর উপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থাকে ভিত্তি করেই তিনি কাজ করেছেন। তবে রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই বিধানসভা ও সংসদের দুই কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা ছিল। এবার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে চান তিনি।জেডিইউ সূত্রে খবর, তিনি বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা দেবেন। আগামী ষোলো মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে বিহারে শাসক জোটের শক্তি বিবেচনায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।নীতীশের ঘোষণার পর পাটনায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁর সমর্থকদের একাংশ। ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। তবু নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি তিনি।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তাঁর পর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? জেডিইউ-র অন্য কোনও নেতা, নাকি বিজেপির কেউ? বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বিজেপির দীর্ঘদিনের নজর রয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও নেতা পাটনায় মুখ্যমন্ত্রী হননি। এবার সেই সুযোগ আসতে পারে বলেই জল্পনা।একই সঙ্গে শোনা যাচ্ছে, নীতীশের ছেলে নিশান্ত কুমার উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। ছেলের রাজনৈতিক উত্থানের পথ তৈরি করতেই কি এই সিদ্ধান্ত? রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্নও ঘুরছে।সব মিলিয়ে বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। এখন নজর নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণার দিকে।

মার্চ ০৫, ২০২৬
দেশ

২৫ বছরে ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ! রাজনৈতিক ভূমিকম্পের মাঝে তেজস্বীর ‘শান্ত’ বার্তা

বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল কংগ্রেসআরজেডি জোট। ভরাডুবির পর ফের ক্ষমতায় ফিরে এল এনডিএ। এর মধ্যেই দশমবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নীতীশ কুমার। ভোট-পরবর্তী ফলের পর এতদিন চুপ ছিলেন তেজস্বী যাদব। শেষ পর্যন্ত নীরবতা ভেঙে তিনি সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তা দিয়ে নীতীশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।তেজস্বী তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য নীতীশ কুমারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। নতুন সরকারের সকল মন্ত্রীকেও তিনি অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তাঁর আশা, নতুন সরকার সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সক্ষম হবে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করবে এবং রাজ্যে ইতিবাচক বদল আনবে।পাটনার গান্ধী ময়দানে নীতীশের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ছিল প্রায় শক্তি-প্রদর্শনের মতো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা-সহ এনডিএ পরিচালিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীরা হাজির ছিলেন। নীতীশ কুমারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান।নীতীশের বিদায়ী সরকারের দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় সিনহা ফের ডেপুটি সিএম পদে শপথ নিয়েছেন। সম্রাট চৌধুরী বিহার বিজেপির সংসদীয় দলনেতা এবং বিজয় সিনহা হয়েছেন উপদলনেতা। মোট ১৯ জন মন্ত্রী শপথ নিলেও মন্ত্রিসভার গঠনেই স্পষ্ট হচ্ছে যে এনডিএ জোটে বিগ ব্রাদার এখন বিজেপিই। ১৯ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১০ জনই বিজেপি থেকে। এলজেপি(আর), হাম এবং আরএলএম পেয়েছে একটি করে মন্ত্রক। নীতীশের জেডিইউ থেকে শপথ নিয়েছেন মাত্র ছয়জন।নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে বিহারের ভবিষ্যতের দিকে এখন তাকিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

বিহারের মসনদে ফের নীতীশ কুমার, আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ

বিহারে রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। নীতীশ কুমার আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। গান্ধী ময়দানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরোদস্তুর প্রস্তুতি সম্পন্ন। নতুন NDA সরকারের গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা।প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক প্রভাবএবার বিধানসভা নির্বাচনে NDA একক ভাবে শক্তিশালী জয় পেয়েছে। ২৪৩ আসনের বিধানসভায় তাদের ২০২টি আসন লাভ করেছে। এনডিএ ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তেজস্বী যাবদ, পিকের নয়া দলও। নীতীশ কুমারকে জোটের বিধায়করা নেতা হিসাবে নির্বাচিত করেছে। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি।প্রশাসনিক এবং আনুষ্ঠানিক গঠনইতিমধ্যে নীতীশ কুমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন গভর্নর আরিফ মোহাম্মদ খানকে। আজ আবার প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে বিহার সরকারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। নীতীশের নতুন মন্ত্রীসভায় প্রায় ৩৫ জন মন্ত্রী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল ১১:৩০মিনিট নাগাদ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা। থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অন্যান্য NDA নেতা। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

“জেডিইউ ২৫ পার করলে সন্ন্যাস”—নিজের ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণিত, এবার নীতীশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ পিকে’র

বিহার নির্বাচনের আগেই প্রশান্ত কিশোর ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, জেডিইউ যদি ২৫টির বেশি আসন পায় তবে তিনি সন্ন্যাস নিয়ে নেবেন । কিন্তু সেই ভবিষ্যদ্বাণীকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করে এনডিএ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে আর জেডিইউ এককভাবে জিতেছে ৮৫টি আসন। বিপরীতে পিকে গঠিত জন সুরজ পার্টির ঝুলিতে এসেছে বিশাল শূন্য। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ-অসন্তোষে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দেশের অন্যতম ভোট-কুশলী।সাংবাদিকদের প্রশ্নে নিজের সন্ন্যাস সংক্রান্ত মন্তব্য থেকে কার্যত পিছিয়ে এসে পিকে বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক পদে নেই, তাই পদত্যাগ বা সরে দাঁড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না। হার সত্ত্বেও তিনি বিহারেই থাকবেন, বিহারের গ্রাম-শহরেই ঘুরে বেড়াবেন। হাসিমুখে দাবি করেন, তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীর দ্বিতীয় অংশ অন্তত ঠিক হয়েছে, জন সুরজ যে হয় শীর্ষে থাকবে, নয়তো একেবারে নিচেঠিকই তাই হয়েছে, কারণ শূন্য আসন মানেই নিচে পৌঁছনো।কিন্তু হাসির আড়ালে লুকিয়ে ছিল তীব্র ক্ষোভ। সরাসরি নীতীশ কুমারের দিকে আঙুল তুলে পিকে অভিযোগ করেন, বিহারে টাকা বিলি করে ভোট কেনা হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচনের ঠিক আগে মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনার নামে মহিলাদের কাছে ১০ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল ভোট প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, কোনও উন্নয়ন প্রকল্পে এমন তড়িঘড়ি টাকা দেওয়ার নজির নেই, তাই এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভোট-লেনদেন ছাড়া আর কিছু নয়।প্রশান্ত কিশোর এখানেই থামেননি। তিনি নীতীশকে নতুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যদি ছমাস পর মহিলাদের হাতে ২ লক্ষ টাকা করে প্রকৃত অর্থে তুলে দেওয়া হয়, তবে তিনি শুধু রাজনীতি নয়বিহার রাজ্যটাই ছেড়ে দেবেন। তাঁর কথায়, ভোট কেনার জন্যই সরকারি প্রকল্পের নাম করে নগদ টাকা বিলি করা হয়েছে।জন সুরজের লজ্জার হারের দায়ও নিজের কাঁধে নিলেন পিকে। তিনি স্বীকার করেন, সততার সঙ্গে লড়াই করলেও তারা মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, ফলে হারটাকে মেনে নিতে আপত্তি নেই। নির্দেশিত ২৩৮টি আসনে লড়াই করে ২৩৬টিতেই জন সুরজের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তবুও ভোট শতাংশের হিসেবে তারা বিএসপি, সিপিআই-এমএল, মিমসহ বেশ কিছু দলের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে এবং ৩.৪ শতাংশ ভোট দখল করায় পিকে তা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন।এত বড় রাজনৈতিক ধাক্কার পরও প্রশান্ত কিশোরের লড়াই থামছে না, বরং নতুন অভিযোগ, নতুন চ্যালেঞ্জে বিহারের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলেই রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূল নেত্রী মমতার অনুরোধে পাটনায় বিরোধী জোটের বৈঠকের ডাক নীতীশের

একজোট হয়ে ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বৈঠকে বসতে চলেছে দেশের প্রধান বিরোধী দলগুলি। আগামী ১২ জুন পাটনায় এই বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বিহারের মুখ্য়মন্ত্রী নীতীশ কুমার। এর আগে তাঁকে এই বৈঠক ডাকতে অনুরোধ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্য়ে বিরোধী জোটে শান দিতে নবান্নে এসে বৈঠক করে গিয়েছেন নীতীশ। এই বৈঠকে থাকার কথা রয়েছে কংগ্রেসেরও। তৃণমূল ছাড়া বৈঠকে অংশ নেবে আরজেডি, জেডিইউ, ডিএমকে, এনসিপি সহ অধিকাংশ বিরোধী দল। এর আগে নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন জেডি কুমারস্বামী, নীতীশ কুমার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ভগবন্ত মান। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধীদের বৈঠক সফল হলেই একমাত্র বিজেপির সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব। তবে বিরোধীদের মধ্য়ে যে ধরনের দ্বন্দ্ব রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে জোট কতটা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও সন্দেহ আছে।

মে ২৮, ২০২৩
দেশ

বিহারে অষ্টমবারের জন্য শপথ নীতীশ কুমারের, ডেপুটি লালুপুত্র তেজস্বী

বিহারের রাজভবনে অষ্টমবারের জন্য শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। বুধবার একইসঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন লালুপুত্র তেজস্বী প্রসাদ যাদব। বিহারে এর আগে বিজেপির সঙ্গে জোট করে সরকার গড়েছিলেন নীতীশ কুমারের জেডিইউ। মাঝপথেই ভাঙল বিজেপি ও জেডিইউর জোট। অন্য রাজ্যে যেখানে বিরোধীদের সরকার ভেঙে গেরুয়া শিবির সরকার গড়ছে। বিহার তার উলাটপূরাণ দেখাল। বিহারে আরজেডির বিধায়ক ৭৯ জন, জেডেইউর ৪৫, কংগ্রেসের ১৯, লেফ্টফ্রন্ট ১৯, হাম ৪ ও ১ জন নির্দল রয়েছেন নূতীশ ও তেজস্বীর জোটে। এর আগে মঙ্গলবারই এনডিএ জোট ছাড়েন নীতীশ কুমার। ইস্তফা দেন মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে। তারপর তেজস্বীকে সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে গিয়ে জোট সরকার গড়ার আবেদন জানান রাজ্যপালের কাছে।এদিকে, নীতীশকে স্বভাবগত বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। পাটনার বিভিন্ন জায়গায় নীতীশ কুমার মুর্দাবাদ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। জেলায় জেলায়, ব্লকে ব্লকে বিজেপি কর্মীদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ এসেছে দিল্লি থেকে। বিহারের ঘটনায় বিরোধীরা গেরুয়া শিবিরের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে উদ্যোগী হয়েছে

আগস্ট ১০, ২০২২
দেশ

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার। সোমবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ বিহারের রাজভবনে শপথ নেন তিনি। এদিনের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এবার উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন না সুশীল মোদি। তার বদলে এবার বিহার পাচ্ছে দুজন উপমুখ্যমন্ত্রী। তাঁরা হলেন রবিবার বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়া তারিকিশোর প্রসাদ ও অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণির প্রতিনিধি ও বিজেপির উপপরিষদীয় দলনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত রেনুদেবী। সুশীল মোদিকে এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। জেডিউই ও বিজেপির তরফ থেকে চার জন করে আটজন মন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট করে মহাজোটের প্রধান দল তথা বিহারের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আরজেডি। তেজস্বীর দলের তরফে টুইটারে বলা হয়, পরিবর্তনের পক্ষে এনডিএ-র বিপক্ষে জনাদেশ ছিল। মানুষের রায় ছিল সরকার বদলের। যে কারচুপি এনডিএ করেছে তাতে রাজ্যবাসী হতাশ। তাই নীতীশ কুমারের শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করছে আরজেডি। আরও পড়ুন ঃ আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনিঃ কপিল সিব্বল প্রসঙ্গত , নীতীশকে সামনে রেখেই এবার বিহারে প্রচার চালিয়েছিল এনডিএ। সেখানে ৭৩ টি আসন দখল করেছে বিজেপি। আরজেডি পেয়েছে ৭৫ টি আসন। নীতিশের দল মাত্র ৪৩ টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে পেরেছে। তবুও ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি মতো নীতিশকে মুখ্যমন্ত্রী করা হল। এনডিএ-র বৈঠকে রবিবারই নীতীশ কুমারকে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচন করা হয়।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের বসতে চলেছেন নীতিশ কুমার

প্রত্যাশামতোই বিহারের মসনদে বসেছিলেন নীতিশ কুমার। সব মিলিয়ে সাতবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে নিজের মেয়াদ শেষ করেছেন মাত্র দুবার। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে সুশীল মোদিকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। রবিবার পাটনায় এনডিএর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এদিন জোটের বৈঠকে নেতা হিসেবে নীতিশকে বেছে নেন জেডিইউ, বিজেপি, বিকাশশীল ইনসান পার্টি এবং হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার বিধায়করা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিংও। আজই রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাবেন নীতিশ। আগামিকালই রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। আরও পড়ুন ঃ প্রতিরক্ষা শক্তিতে আত্মনির্ভর হয়ে উঠেছে ভারতঃ মোদি প্রসঙ্গত , বিহার বিধানসভায় এনডিএ ১২৫ টি আসনে জয়লাভ করেছে। ম্যাজিক ফিগারের থেকে মাত্র ৩ আসন বেশি পেয়েছে। নীতিশ কুমারই যে ফের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, তা অবশ্য আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। বিজেপি শীর্ষনেতারা ভোটের আগে থেকেই বলে আসছেন, যে দলই বেশি আসন পাক না কেন নীতিশকেই ফের মুখ্যমন্ত্রী করা হবে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
দেশ

বিহারের মসনদে কে , সিদ্ধা্ন্ত রবিবারের এনডিএ বৈঠকে

বিহারের মসনদে কে বসছেন , তা রবিবারই জানা যাবে। সেদিনই ঠিক হবে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। নীতীশ কুমার জানিয়েছে, রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা থেকে বৈঠক শুরু হবে। সেখানেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নীতীশকেই পরিষদীয় নেতা বেছে নিতে পারে এনডিএ। শুক্রবারই নীতীশের বাসভবনে সেই সংক্রান্ত বৈঠকে তার আভাস পাওয়া গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা নির্মলা সীতারমনের জনতা দল, হাম, ভিআইপি এবং বিজেপির যৌথ বৈঠকে তাতে সিলমোহর পড়বে। তবে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন কিনা , তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভায় এনডিএ জোটের মধ্যে ৭৪ টি আসন রয়েছে বিজেপির দখলে। সংযুক্ত জনতা দল ৪৩টি পেয়েছে। হাম এবং ভিআইপি ৪টি করে আসনে জিতেছে। ১২৫ জন বিধায়ক নিয়ে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
দেশ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে মহাগটবন্ধনকে হারিয়ে জয়ের পথে এনডিএ

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীদের পিছনে ফেলে ক্রমশ জয়ের দিকে এগিয়ে চলেছে এনডিএ। মঙ্গলবার সকালে ভোট গণনা শুরু হতেই বিজেপিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে থাকে আরজেডি , কংগ্রেস ও বামেদের মহাগটবন্ধন। কিন্তু এদিন বেলা বাড়তেই উলটে যায় পাশা। বিরোধী জোটকে পিছনে ফেলে ক্রমশ এগিয়ে যেতে থাকে এনডিএ। বলা ভাল বিজেপি। নীতীশ কুমারকে এদিন বিজেপি টেনে তুলল। বিহারে বড় শরিকের চেয়ে বেশি আসন পেল তারা। বিরোধী শিবিরে ঠিক উলটো দশা। কংগ্রেসের সঙ্গে থেকে ডুবতে হচ্ছে তেজস্বীর আরজেডি-কে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এনডিএ এগিয়ে রয়েছে ১২২টি আসনে। তার মধ্যে ৭০ টি আসনে জয়লাভ করেছে। বিরোধীদের মহাগটবন্ধন এগিয়ে রয়েছে ১১৪ টি আসনে। অন্যান্যরা এগিয়ে রয়েছে ৭ টি আসনে। জানা গিয়েছে , এখনও পর্যন্ত ৫০ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। যে আসনগুলিতে এখন গণনা চলছে , তার মধ্যে ২৫ টি এমন আছে , যার ব্যবধান মাত্র ১০০০ ভোট। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে , করোনা পরিস্থিতিগত কারণে ভোট গণনা শেষ হতে রাত গড়িয়ে যাবে। আরও পড়ুন ঃ মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি এদিকে বিজেপির স্বপক্ষে ফল আসতেই বিজেপি কর্মী- সমর্থকরা বাজি , পটকা ফাটাতে শুরু করে দেন। অন্যদিকে সকাল থেকে বিরোধী শিবিরে উচ্ছাস দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ম্রিয়মান হয়ে যায়। অন্যদিকে , বিহার নির্বাচনে এনডিএ জিততে চলেছে , সেই আভাস পেয়ে বিকেলে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃ্ত্ব জরুরি বৈঠকে বসেন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের প্রচারে ৩৭০ ধারা হাতিয়ার মোদির

ভারত মাতার সুরক্ষা ও ত্রিরঙ্গার সম্মান রক্ষায় গালওয়ানে শহিদ হয়েছেন বিহারের যুবকরা। পুলওয়ামাতেও বিহারী জওয়ানরা শহিদ হয়েছিলেন। আমি তাঁদের নতমস্তকে শ্রদ্ধা জানাই। বিহার ভো্টের আগে শুক্রবার সাসারামের জনসভায় এসে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপরই কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা রদ প্রসঙ্গ টেনে মোদী বলেন, এনডিএ সরকার ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছে। ক্ষমতায় ফিরলে বিরোধিরা দাবি করেছে ওই ধারা আবার বলবৎ করবে। এরপরও কিভাবে বিহারবাসীর ভোট চায় ওরা? এটা কি বিহারীদের অপমান নয়? এই রাঝ্যের বহু যুবক-যুবতী দেশ রক্ষার কাজে সীমান্তে যায়। তাঁরা কি শুধু শহিদ হতে সেখানে যাবেন? আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ের মলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , আহত ২ রাজ্যের দুর্নীতি দমনে নীতীশ কুমারের সাফল্যেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে অপরাধ এবং দুর্নীতির শিকার ছিল বিহার। যাঁরা বিহারকে রোগগ্রস্ত রাজ্যে পরিণত করেছে তাঁদের আর ক্ষমতায় না ফেরাতে সংকল্প নিয়েছেন বিহারবাসী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে হাজির ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। উল্টো্দিকে এদিন রাহুল গান্ধী তেজস্বী যাদবের সমর্থনে এক জনসভায় গিয়ে জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, মোদী জি কা ভাষণ ক্যায়সা লাগা ? তারপর তিনি বলেন, করোনা সংকটে পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশায় কংগ্রেস এগিয়ে এসেছে। কিন্তু বিজেপি আসেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ২২ দিনে করোনা আয়ত্বে আনবেন। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। রাহুল আরও বলেন, যে সব রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতায় সেখানে কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধা নেওয়া হয়েছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যের চেয়ে ভালো আছেন পাঞ্জাব, ছত্তিসগড়, রাজস্থানের কৃষকরা।

অক্টোবর ২৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দিঘার মন্দিরের প্রসাদ বিতরণেও টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ! তদন্তে নেমে কী পেল লালবাজার?

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ থেকে অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালনপর্যটন দফতরের একাধিক কাজের বরাত পেয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। গত পাঁচ বছরে এমন অন্তত ১৫০টি টেন্ডারের খোঁজ পেয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযোগ, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ওই তিনটি সংস্থাকেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি এ বার পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক দাবি, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১৫০টি টেন্ডার পেয়েছে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। এই টেন্ডারগুলির মোট আর্থিক মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।লালবাজার সূত্রে খবর, বিভিন্ন সময়ে ব্যানার লাগানো, রেড রোডে কার্নিভালের আয়োজন, রাস্তা সাজানো, অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালন, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিলির মতো কাজের জন্য টেন্ডার দিয়েছিল পর্যটন দফতর। গোয়েন্দাদের দাবি, এই কাজগুলির অধিকাংশের বরাত পেয়েছে ওই তিনটি সংস্থা। সংস্থাগুলির সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের যোগ রয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেগুলির উপর প্রাক্তন মন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই তদন্তের মধ্যেই বুধবারও লালবাজারে হাজিরা দেননি ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন। এর আগে মঙ্গলবারও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সে দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান তিনি। বুধবার ফের তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার তাঁকে আবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ বারও হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে। প্রয়োজনে গ্রেফতারির কথাও ভাবা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।গোয়েন্দাদের দাবি, ইন্দ্রনীলের সংস্থার সঙ্গে তাঁর মেয়ের সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা আবার ইন্দ্রনীলের সংস্থায় ফিরে যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই আভেরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা।সূত্রের খবর, জেরায় ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, দুর্নীতির বিষয়ে তাঁর স্ত্রী সব জানেন, তিনি নিজে কিছু জানেন না। এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনে তাঁর স্ত্রীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত অভিযোগে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে লালবাজার। এই মামলায় নতুন এমপিও আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তদন্তকারীরা। তবে টেন্ডার বণ্টন বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও বেআইনি কাজ হয়েছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তারির পর উধাও ছিলেন ‘ঘনিষ্ঠ’ শুভ, শেষ পর্যন্ত কোথা থেকে ধরল পুলিশ?

পুজোর পাস বিক্রির মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভ। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলায় তিনি অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। ইন্দ্রনীল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন শুভ। তিনি ইন্দ্রনীলের সংস্থা মাস আর্ট-এর সচিব ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনও খারিজ হয়ে যায়। বুধবার রাতে মধ্য কলকাতার পোদ্দার কোর্টের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।এই গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্তেরা কোটি কোটি টাকা চুরি করেছেন। ইন্দ্রনীলকে ডাকাত এবং ধ্রুবজ্যোতিকে নিকৃষ্টতম চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, পুজোর পাস বিক্রির পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের লজ সংস্কার, বইমেলা, গানমেলা এবং চলচ্চিত্র উৎসবের মতো সরকারি অনুষ্ঠানের কাজ ঘনিষ্ঠ সংস্থাগুলিকে পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের অভিযোগ, সেই টাকা ইন্দ্রনীল নিজে এবং তাঁর আত্মীয়দের সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মন্ত্রিত্বের প্রভাব খাটিয়ে ইন্দ্রনীল তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সংস্থাকে সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দিতেন। আদালতে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তিন জনের গোপন জবানবন্দি ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে মাস আর্ট সোসাইটি, গিডি ক্রিয়েশন, থার্ড আই ক্রিয়েশন এবং রূপকার নামে কয়েকটি সংস্থার নাম। অভিযোগ, বিভিন্ন মেলা ও অনুষ্ঠানের কাজের বরাত পেত এই সংস্থাগুলি। তদন্তকারীদের দাবি, একটি পর্যায়ে গিডি ক্রিয়েশন ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল। থার্ড আই ক্রিয়েশন-এর হাতে যায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার কাজ। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, এই সংস্থার অনুষ্ঠান আয়োজনের আগের অভিজ্ঞতা ছিল না বলে অভিযোগ।অন্য দুটি সংস্থাকেও আলাদা খাতে প্রায় ৬০ কোটি টাকার কাজ দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, থার্ড আই ক্রিয়েশন ৩৬ কোটি ৯ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার এবং রূপকার ৮ কোটি ২১ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল।তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, গিডি ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কাটমানির টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। গিডি ক্রিয়েশন থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা এবং থার্ড আই ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট-এর অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া, গিডি ক্রিয়েশন থেকে ইন্দ্রনীলের মেয়ের অ্যাকাউন্টে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, মোট ২০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আরও বিপুল পরিমাণ কাটমানি লেনদেনের তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই দিকেও তদন্ত চলছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড়ে উঠতে পারবেন না সবাই? সান্দাকফু ভ্রমণে কী কড়া নিয়ম আনল জিটিএ?

সান্দাকফু ও ফালুটে বেড়াতে যাওয়ার আগে এ বার থেকে আরও সতর্ক হতে হবে পর্যটকদের। পাহাড়ে ওঠার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করল গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সান্দাকফু-ফালুট রুটে একাধিক নতুন ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। থাকছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা।জিটিএ সূত্রে খবর, সান্দাকফু-ফালুট রুটের থাকুম ভ্যালি, সাবারগ্রাম এবং ফালুটে ট্রেকার ও সাধারণ পর্যটকদের জন্য রাতে থাকার জায়গায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে পাঠানো হয়েছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পালস অক্সিমিটার এবং প্রাথমিক চিকিৎসার বাক্স। অসুস্থ পর্যটকদের দ্রুত পাহাড়ের নীচে নামিয়ে আনার জন্য মানেভঞ্জনে ২৪ ঘণ্টার জরুরি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও চালু রাখা হয়েছে।শুধু সরঞ্জাম দেওয়াই নয়, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় হোমস্টে কর্তৃপক্ষ, গাড়িচালক ও গাইডদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। ট্রেকিং রুট এবং ল্যান্ডরোভার সংগঠনের মাধ্যমে তাঁদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে জিটিএ। কোনও পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়লে কী ভাবে দ্রুত সাহায্য করতে হবে, তা শেখানো হচ্ছে তাঁদের।গাইড ও গাড়িচালকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও পর্যটকের তীব্র মাথাব্যথা, বমি ভাব, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট কিংবা হাঁটতে অসুবিধা হলে তাঁকে আর উপরে উঠতে দেওয়া যাবে না। দ্রুত নীচে নামিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যটক ও স্থানীয়দের সাহায্যের জন্য মানেভঞ্জনে পর্যটক তথ্যকেন্দ্র এবং সান্দাকফুতেও বিশেষ কর্মী রাখা হয়েছে।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগ এ বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, সান্দাকফু ও ফালুটে ট্রেকিং করতে যাওয়া পর্যটকদের যাত্রা শুরুর আগে শারীরিক সক্ষমতার শংসাপত্র দেখাতে হবে। ল্যান্ডরোভারে যাঁরা সেখানে যাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। শংসাপত্র না থাকলে মানেভঞ্জনের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। পরীক্ষায় কেউ পাহাড়ে ওঠার অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হলে তাঁকে আর উপরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।জিটিএ-র পর্যটন বিভাগের কর্তা দাওয়া গ্যালপো শেরপা জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, দার্জিলিং জেলার সিঙ্গালিলা শৈলশিরায়, ভারত-নেপাল সীমান্তের কাছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সান্দাকফু ও ফালুট। ট্রেকিং কিংবা বেড়াতে গিয়ে উচ্চতার কারণে অক্সিজেনের অভাবে অনেক পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কখনও কখনও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। সেই বিপদ এড়াতেই পর্যটকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকে জরুরি চিকিৎসাসব দিকেই নজর বাড়াচ্ছে জিটিএ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

‘প্রতিবাদের যুগ চলছে, আদালতে এলেন কেন?’ সংরক্ষণ মামলায় আবেদনকারীকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

প্রশ্নফাঁস থেকে ভোটচুরি, নির্বাচন ও এসআইআর নিয়ে দেশজুড়ে চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। এই আবহেই সংরক্ষিত বিধানসভা আসনে পরিবর্তনের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের এক ভোটার। শুনানির সময় তাঁকে প্রশ্ন করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আন্দোলনের পথে না হেঁটে তিনি আদালতে এলেন কেন, তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্য, এটা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের যুগ। সম্ভবত আপনারও সেই পথ অনুসরণ করা উচিত ছিল। জবাবে আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, তাঁদের প্রতিবাদ করার কোনও ইচ্ছা নেই। তা ছাড়া তাঁর গলাও ব্যথা।উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুর জেলার ১৯১-কাদিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার জগদীশ সিং এই মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, ১৯৫২ সালের প্রথম নির্বাচন থেকে গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে কাদিপুর বিধানসভা আসনটি তফসিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। এই ব্যবস্থায় মাত্র চার-পাঁচটি পরিবার উপকৃত হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।জগদীশের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভা আসনে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করা হোক। পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনে যেমন পর্যায়ক্রমে সংরক্ষিত আসন বদলের নিয়ম রয়েছে, বিধানসভা আসনের ক্ষেত্রেও তেমন ব্যবস্থা চালুর কথা বিবেচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিক আদালত।আবেদনকারীর যুক্তি, সংরক্ষিত আসন পরিবর্তনের কোনও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় সংবিধানের ১৪, ১৫ ও ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর ফলে ওই কেন্দ্রের ভোটারেরা প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সীমিত সুযোগ পান। কারণ, তাঁরা কেবল তফসিলি জাতির প্রার্থীদেরই ভোট দিতে পারেন।মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চে। শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, ভোটদানের ক্ষেত্রে ভোটারেরা যে জাতপাতকেই একমাত্র গুরুত্ব দেন, এমনটা ধরে নেওয়া যায় না।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে ভোটারেরা প্রার্থীর ধর্ম বা জাতপাতের বদলে রাজনৈতিক দল এবং তাদের আদর্শ বিবেচনা করে ভোট দেবেন, সেটাই প্রত্যাশিত।তবে সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন আনার দাবিতে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। ফলে আবেদনকারীর দাবি আপাতত আদালতের সমর্থন পেল না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

‘মবোক্রেসি গণতন্ত্রের বিকল্প নয়’, কৃষ্ণনগরে দাঁড়িয়ে কাদের নিশানা করলেন শমীক?

কৃষ্ণনগরেও বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও পদযাত্রা। বুধবার এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কৃষ্ণনগরের পোস্ট অফিস মোড়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তথাকথিত ককরোচ পার্টির নেতাদের কুশপুতুল এবং আরশোলার প্রতীকী মূর্তি পোড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দেশের অখণ্ডতা ও সংহতি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।সমাবেশ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন শমীক। তাঁর অভিযোগ, পরিবারতন্ত্র থেকেই দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের জন্ম হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছে। তাঁর আরও দাবি, বিদেশি মদতে কিছু শক্তি দেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। টুকরে টুকরে গ্যাং-এর সদস্যেরা সাধারণ মানুষকে উস্কে দিয়ে বিশৃঙ্খলা ছড়াতে চাইছে।শমীকের কথায়, ভারতের গণতন্ত্রের ভিত অনেক গভীর। কোনও ভাবেই উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসন গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে বাম ও কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী শক্তি হিসেবে বাম ও কংগ্রেস কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই দুই দল তৃণমূলের কাছে নিজেদের সঁপে দিয়েছে। অন্যদিকে, জনসমর্থন হারিয়ে তৃণমূলও রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত উন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বাংলার মানুষ বোমা-বারুদের রাজনীতি চান না। তাঁরা চান শিল্প, কারখানা এবং কাজের সুযোগ। রাজ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না থাকায় বহু যুবককে কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সমাবেশে নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ দেবনাথও বক্তব্য রাখেন। তাঁর অভিযোগ, দেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও কয়েক জন বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এ ধরনের কাজ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং বামপন্থীদের সমালোচনা করে অভিজিতের দাবি, জাতীয়তাবাদী ও সনাতনী সমাজ একজোট হলে দেশবিরোধী শক্তিকে বাংলা তথা দেশ থেকে সরাতে বেশি সময় লাগবে না।কৃষ্ণনগরের এই সমাবেশ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যে সাধারণ মানুষের অধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষায় হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি, পুজোর আগে নদী থেকে কী ভাবে ফিরলেন মা?

বর্ষায় মন্দির থেকে হারিয়ে গিয়েছিল মা কালীর মূর্তি। পুজোর আগে সেই মূর্তিই ফিরে এল গ্রামে। সুন্দরবনের পুঁইজালীতে এই ঘটনায় খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। মায়ের মূর্তি ফিরে পাওয়ায় আনন্দে মেতেছেন গ্রামবাসীরা। নতুন করে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্দির কমিটি।ঘটনার সূত্রপাত রায়মঙ্গল নদীতে। মাছ ধরতে গিয়ে জালে মা কালীর একটি মূর্তি পান এক মৎস্যজীবী। মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা বাবলু মণ্ডল সেই মূর্তিটি উদ্ধার করে নিজের গ্রামে নিয়ে যান। পরে গ্রামের একটি মন্দিরে সেটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মূর্তি উদ্ধারের ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন গ্রামের কয়েক জন যুবক।সেই ভিডিও দেখেই মূর্তিটি চিনতে পারেন সুন্দরবনের পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি তাঁদের গ্রামের কালীমন্দিরের। বর্ষার সময় মন্দির থেকে সেটি হারিয়ে গিয়েছিল।এর পরেই মাধবকাটি গ্রামের বাসিন্দা ও মন্দির কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়। মাধবকাটির মন্দির কমিটির সদস্যেরা নিজেদের মতো করে বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। পুঁইজালী গ্রামের বাসিন্দারা মূর্তিটি তাঁদের বলে প্রমাণ দেওয়ার পর সেটি ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মাধবকাটি মন্দির কমিটির এক সদস্য বলেন, আমরা মায়ের মূর্তিটি নদীতে পেয়েছিলাম। পুঁইজালী গ্রামের কমিটি দাবি করে, মূর্তিটি তাঁদের। বিষয়টি থানায় জানিয়েছিলাম। ওঁরা প্রমাণ দিয়েছেন। তাই আমরা মূর্তিটি তাঁদের হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছি।পুঁইজালী পুজো কমিটির সদস্য উত্তম পাত্র বলেন, আমাদের প্রতিমা হারিয়ে গিয়েছিল। এখানকার মন্দির কমিটি ও প্রশাসন সেটি আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। পুঁইজালী কালীমন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি ফিরে পেয়ে আমরা খুবই খুশি।পুজোর আগে হারানো মূর্তি ফিরে পাওয়ায় এখন আনন্দে মেতেছেন পুঁইজালীর বাসিন্দারা। মন্দিরে মায়ের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে ধুমধাম করে পুজোর আয়োজন করতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

দুবাই থেকে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে! ১৭ নভেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

দুবাই থেকে দেশে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে। আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। পাথর পাচার এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত টুলু বর্তমানে পরিবারকে নিয়ে দুবাইয়ে রয়েছেন।বীরভূমে পাথর পাচার ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে জেলা পুলিশ। অভিযোগ, সরকারি কর্মীদের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে খনিজ পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় ডিসিআর এড়িয়ে যেতেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে সেই অঙ্ক প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বলে দাবি তদন্তকারীদের।এই মামলায় পুলিশের তৎপরতা বাড়তেই এলাকা ছেড়ে চলে যান টুলু। পরে তিনি দুবাইয়ে আশ্রয় নেন বলে জানা গিয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে তাঁর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তিনি জানান, আদালতের রক্ষাকবচ পেলে দেশে ফিরতে রাজি টুলু। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ টুলুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে।আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে মুকুল বলেন, টুলু মণ্ডল দাউদ ইব্রাহিম নন। তিনি দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে দুবাইয়ে বৈধ ব্যবসা করছেন।এর পরেই রাজ্য পুলিশের বক্তব্য জানতে চান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শী নাগুর বেঞ্চ। রাজ্য পুলিশের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, টুলু দেশে ফিরলে আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৭ নভেম্বরের মধ্যে টুলুকে ভারতে ফেরার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি আদালত জানায়, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পরবর্তী রক্ষাকবচের জন্য স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে হবে টুলুকে।ফলে আপাতত দুবাই ছেড়ে দেশে ফিরতে হবে টুলু মণ্ডলকে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পাথর পাচার ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত চলবে। মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বিগ বস বাংলায় ফিরতেই রাজবীরের চুমু! নন্দিনীকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ দাসের মা

বিগ বস বাংলার দুর্গে ফিরলেন নন্দিনী দত্ত। তবে সাধারণ ভাবে নয়, ভূত জুলির সাজে। মঙ্গলবারের পর্বে তাঁকে দেখেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রাজবীর। জড়িয়ে ধরে চুমুতে ভরিয়ে দেন নন্দিনীকে। কিন্তু তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি অভিনেতা সৌরভ দাসের মায়ের। তাঁর মতে, প্রেমেরও একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর ও নন্দিনী সেই সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।রবিবারের পর্বে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের ভোটে বিগ বস বাংলার দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন নন্দিনী। সেই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর-সহ অন্য প্রতিযোগীরা। দুর্গ ছাড়ার আগে প্রেমিকাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন রাজবীর। তবে পরে জানা যায়, নন্দিনী আসলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েননি। তাঁকে দুদিনের জন্য রাখা হয়েছিল গোপন ঘরে।মঙ্গলবার রাতে ভূত জুলির সাজে ফের মূল দুর্গে প্রবেশ করেন নন্দিনী। জানা যায়, বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে ফিরেছেন তিনি। নন্দিনীকে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীর। তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করেন। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে। খোদ সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা সৌরভ দাসের মা। তাঁর কথায়, মিষ্টি প্রেম হতেই পারে। কিন্তু এটা একটা নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চরম বাড়াবাড়ি হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর আর নন্দিনী সেই সীমাটাই পার করে গিয়েছে। শো দেখাই ছেড়ে দেব ভেবেছিলাম।বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই শোয়ের পারিবারিক চরিত্র বজায় রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal